পুঠিয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নে বন্যাদূর্গত তিনটি গ্রামের ২০১ টি পরিবারের মাঝে নিজস্ব অর্থায়নে ত্রাণ সামগ্রী ও নতুন কাপর বিতরন করেছেন পুঠিয়া-দূর্গাপুরের সাবেক এমপি ও রাজশাহী জেলা আ’লীগের সাবেক সভাপতি এ্যাডঃ তাজুল ইসলাম মোহাম্মদ ফারুক।

সোমবার বেলা ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের চারটি গ্রামের পৃথক স্থানে ২০১ টি বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে সুকনো খাবার, কাপড় ও খাবার স্যালাইন বিতরন করেন।

জানা যায়, বাগমারা উপজেলার পাশাপাশি পুঠিয়ার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের ৮টি গ্রামে বন্যার পানি ঢুকেছে। প্রতিদিনই বাড়ছে পানি। এর মধ্যে গোবিন্দপাড়া, সাতঘোষপাড়া, বাজে সাতঘোসপাড়া, শ্রীরামপুর গ্রাম পুরো প্লাবিত হয়েছে। আর মঙ্গলপাড়া, সাধনপুর, কৃষ্ণবটি ও জগদিসপুর গ্রামের আংশিক প্লাবিত হয়েছে। শতশত ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে গেছে। ওই ৮টি গ্রামের প্রায় তিন হাজার মানুষ পনিবন্দী হয়ে আছে মানবেতর জীবন জাপন করছে। খবর পেয়ে পুঠিয়া-দূর্গাপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজশাহী জেলা আ’লীগের সাবেক সভাপতি এ্যাডঃ তাজুল ইসলাম মোহাম্মদ ফারুক নিজস্ব তহবিল থেকে বন্যার্তদের পাশে চাল, ডাল, চিরা, কাপড় ও খাবার স্যালাইন নিয়ে ছুটে আসেন। প্রথমে শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড মঙ্গলপাড়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে ওই গ্রামের ৫০ টি বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার কাপড় ও খাবার স্যালাইন বিতরন করেন। ত্রান সামগ্রী ও কাপড় বিতরন করেন সাতঘোষ পাড়ার ৫১ টি পরিবারের মাঝে। শেষে ইউনিয়নের ২ নং ও ৩ নং ওয়ার্ডে যগোদিশপুর কালী মন্দিরে ১০০ টি পরিবারের মাঝে ত্রান সামগ্রী ও কাপর বিতরন করেন। পরে তিনি বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে পুঠিয়ার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার ও জনসাধারনের মাঝে মতবিনিময় করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক প্রভাষক আজাহার আলী, ইউপি সদস্য ও আ’লীগ নেতা খয়ের উদ্দিন, ১ নং ওয়ার্ড সভানেত্রী শ্রী সাবেত্রী দেবি, সাবেক ছাত্র ও যুবনেতা মহসীন আলী, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাওন আহম্মেদ, সমাজসেবক সিদ্দিক, সাদেক, সিরাজ প্রমুখ।

ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার বিদিরপুর গ্রামের বাসিন্দা ইয়াকুব আলী বলেন, গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বন্যার পানিতে ঘর বাড়ি ভেসে গেলেও কোন জনপ্রতিনিধি ত্রাণ বিতরন তো দুরের কথা চোখের দেখা পর্যন্ত দেখতে আসেনি।

শ্রীরামপুর এলাকার গীতা রানি জানান, বন্যায় পানি ঘরে ঢুকে গেছে কাজ নেই ঘরেও খাবার নেই সন্তান নিয়ে কোন মতে খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছি।

এব্যপারে সাবেক এমপি ও জেলা আ’লীগের সাবেক সভাপতি তাজুল ইসলাম মোহাম্মদ ফারুক বলেন, বন্যা একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ এর মোকাবেলা সবাইকে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বন্যার্তদের পাশে সবসময় আছেন এবং থাকবেন। সমাজের বিত্তবানদের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে দাড়ানোর আহবান জানান তিনি।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

w

Connecting to %s